Categories
আইন শৃঙ্খলা রাজনীতি সামাজিক অবস্থা

৪ নং ওয়ার্ডের পাচটি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ -আইনশৃঙ্খলা কমিটি নির্বাচন কমিশন

1438260873নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ৪ নং ওয়াডের্র উপ-নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সভাটির আয়োজন করেন জেলা নির্বাচন কমিশন।

সভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তারিফুজ্জামান বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৪ নং ওয়ার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী এলাকা। এ ওয়ার্ডে পাঁচটি ভোট কেন্দ্র রয়েছে যার প্রতিটিই কোন না কোন প্রার্থীর বাড়ির সন্নিকটে অবস্থিত। ফলে প্রতিটি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই নির্বাচনকে ঘিরে যেন কোন ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা না ঘটে এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। এছাড়া নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।

siddhirganj-ward-4
নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তারিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ছিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আশুতোষ দাশ, এনএসআই-এর উপ-পরিচালক মো. তৌহিদুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার এ সার্কেল মো. মনিরুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আক্তার চৌধুরী, আনসার-ভিডিপি, র‌্যাব-১১ কমান্ডার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সহিদুল হক পাটওয়ারী, মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম এবং কাজী মোহাম্মদ ফয়সাল প্রমুখ।

Categories
অভিযোগ পরিবেশ ও নদী দূষণ সামাজিক অবস্থা

সিদ্ধিরগঞ্জের বেশির ভাগ কারখানাতেই ইটিপি নেই

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় কয়েক হাজার কারখানা। ডাইং, নিটিং, টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন কারখানায় তরল বর্জ্য পরিশোধন করার লক্ষে এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প¬ান্ট (ইটিপি)থাকার বাধ্যকতা থাকলেও বেশির ভাগ কারখানাতেই এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প¬¬ান্ট (ইটিপি) নেই। যাদের আছে, তারা এর যথাযথ ব্যবহার না করে কর্তৃপক্ষকে উৎকোচের বিনিময় ম্যানেজ করে সরাসরি নদীতে বা খালে বর্জ্য ফেলছে। এতে খালের পানি শীতলক্ষ্যা নদীতে গিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। হাজার-হাজর জনতা পানিবাহীত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। মাছ শুন্য হচ্ছে নদী। অথচ সংশি¬ষ্ট প্রশাসন সব দেখেও রহস্য-জনক কারনে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছে। কল-কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজিলার উপর দিয়ে বয়ে চলা শীতলক্ষ্যা নদী। এতে পানি কালো বর্ণ ধারণ করেছে, নদী হারিয়েছে নাব্যতা। বিষাক্ত বর্জ্যের কারণে নদীর মাছ মরে গেছে। তবে কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, কারখানাগুলোয় ইটিপি সুবিধা চালু আছে। এতে পরিবেশ কিংবা পানি দূষণের সম্ভাবনা নেই। এ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠা অধিকাংশ শিল্প কারখানায় নেই কোন বর্জ্য শোধনাগার বা অ্যাফ্লুয়েন্ট ট্রিঁটমেন্ট প¬্যান্ট (ইটিপি)। যার কারণে উপজেলার ডিএনডি বাধঁসহ বিভিন্ন কৃষি জমিগুলো হয়ে পড়েছে চাষ অযোগ্য। সরকারি বিধি ও নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি শিল্প কারখানা স্থাপন করার সাথে সাথে বর্জ্য শোধনাগার বা অ্যাফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প¬্যান্ট (ইটিপি) স্থাপন করা বাধ্যতামূলক। অথচ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সদর উপজেলায় গড়ে উঠা অধিকাংশ কারখানায় বর্জ্য শোধনাগার বা অ্যাফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প¬্যান্ট (ইটিপি) নেই। তবে হাতে গুনা অল্প সংখ্যক কারখানায় ইটিপি থাকলেও ১’লিটার বর্জ্য পরিশোধন করতে ৩টাকা খরচ হয়। প্রতিদিন গড়ে ৬০’হাজার লিটার পানি পরিশোধিত করতে খরচের মাত্র অতিরিক্ত হওয়ায় পরিবেশ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই কারখানা কর্তৃপক্ষ তরল বজর্হ্য সরাসরি নদীতে ফেলছে বলে বিশ্বস্থ সুত্রে জানা গেছে। আর এ কারনেই ইটিপির যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না বা কর্তৃপক্ষ এর ব্যবহার করছে না। একটি বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, ইটিপি অধিকাংশ সময় বন্ধ রাখা হয় এর কারণ এটা ব্যবহার করলে অধিক অর্থ খরচ হয়। এক কথায় টাকা বাঁচানোর জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষ প¬্যান্ট অধিকাংশ সময় বন্ধ রাখে। এদিকে প¬্যান্ট চালানোর ব্যাপারে কারখানা কর্তৃপক্ষের কোন ভূমিকা না থাকার করণে কারখানাগুলোর বর্জ্য সরাসরি খাল, বিল, নদী, নালা ও ফসলি জমির উপর গিয়ে পড়ছে। নদী-নালা, খাল-বিলে বর্জ্য পড়ার কারণে দেশীয় প্রজাতির মাছ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আর নষ্ট হচ্ছে জমির উবর্রতা। খাল বিলের পানি ঘন কালো নীল বণের্র বর্জ্য পদার্থ মিশে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রায় সর্বক্ষণ বিলের ফসলি জমির মাটি কেমিক্যাল মিশ্রিত পানিতে আবৃত হয়ে ফাঁপা অবস্থায় থাকে। যার কারণে জমিতে ফসল উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। কোন কোন বিলে ধান উৎপাদন প্রায় বন্ধের পথে। নদী নালার মাছ এলাকাবাসী আর খেতে পারছে না। বিশেষ করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় বসবাসকারী শতকারা ৬০ভাগ লোকই কোন না কোন ভাবে পানি বাহীত রোগে আক্রন্ত রয়েছে।

Categories
আইন শৃঙ্খলা গুরত্বপুরন ব্যাক্তিত্ব সামাজিক অবস্থা

পারভেজ, ভাই আমার! ভাল থাকিস তুই!

মাত্র বাইশ বছর বয়েস ছিল ছেলেটার, পুলিশের কন্সটেবলের চাকুরি করত। দিনে ষোল থেকে আঠারো ঘন্টা ডিউটি, ছুটি নেই। মাথার উপরে সিনিয়র অফিসারের বকাঝকা, আর নীচে পাবলিকের গালি। এর মধ্যেই কেটে যাচ্ছিল জীবন।

গালি দেবার বেলায় বাঙালি বড়ই স্মার্ট, ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে সুযোগ পেলে বারাক ওবামার মায়ের সাথেও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে এক মুহূর্ত দেরি করেনা -আর পুলিশ তো কোন ছার! দুষ্ট বদমায়েশ নেই হেন কোন জায়গা এদেশে নেই, তবে বিচিত্র কারণে সবাই মনে করে- একমাত্র পুলিশ ছাড়া এদেশের বাকি সবাই স্বয়ং ভগবান প্রেরিত দেবদূতবিশেষ!

এভাবেই কেটে যাচ্ছিল দিন। গরীব দেশ, এক হাজার জনের জন্য পুলিশ কতজন তা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খোঁজা লাগে। দুর্নীতি, নোংরামির দুষ্টচক্র তো আছেই! সরকারের বরাদ্দ অতি সামান্য, মাথাপিছু দৈনিক ত্রিশ পয়সার কাছাকাছি ট্যাক্স দেয় জনগণ- আর আশা করে ওতেই দেশের পুলিশ এনওয়াইপিডি এর চেয়েও আধুনিক হবে।

Badge_of_BP

ছেলেটার ছোট্ট মাথায় এতসব খেলে না, ও শুধু জানে- পুলিশের চাকুরি মানে চোর ডাকাতের হাত থেকে মানুষকে বাঁচানো। ওটা করতে গেলে প্রাণ যায় যাক, তাও মান বাঁচুক!

বৃহষ্পতিবার কক্সবাজারের লাবনী পয়েন্টে দাঁড়িয়ে ছিল ও। না, ডিউটি শুরু হয়নি তখনও- এমনিই এসেছে সাদা পোশাকে, অস্ত্রও আনেনি সাথে। পুলিশ হলে বুঝি সাগরের ঢেউ দেখতে ইচ্ছে করেনা?!

হঠাৎ চোখে পড়ল একটা দৃশ্য- আরে! কি হচ্ছে ওখানে? দেখে তো মনে হচ্ছে ছিনতাই!

সাথে অস্ত্র নেই, পরা নেই ইউনিফর্মও। যেহেতু এটা ডিউটির সময় না, মুখ ফিরিয়ে চলে গেলেও কারও কিছু বলার নেই। চলেও যেত ও, এরকম ছিনতাই কতই না হয়!

কিন্তু না! পাসিং আউট প্যারেডে কুরআন শরীফ সামনে রেখে প্রতিজ্ঞা করেছিল সবাই- নিজের প্রাণ বিপন্ন করে হলেও মানুষের জানমালের হেফাজত করবে। নাই বা থাকল হাতিয়ার, নাই বা হল ডিউটির সময়, পালিয়ে গেলে আয়নায় মুখ দেখাবে কিকরে!

আঠারো বছর বয়েসে পুলিশে ঢুকেছে ও, ফোর্স ওকে আর ওর পরিবারকে এতদিন রেশন খাইয়েছে। উর্দি পরণে না থাকুক, উর্দির ফরজ নেভানোর এই তো সময়!

রণহুংকার ছেড়ে খালি হাতে এগিয়ে গেল ও, একাই জাপটে ধরল অস্ত্রধারী তিন তিনজন ছিনতাইকারীকে।

সাড়ে ছয় হাজার টাকা ছিল ভিকটিমের পকেটে, ওটা কেড়ে নিতে বুকের ঠিক মাঝখানে ছুরি বিঁধিয়ে দিল ছিনতাইকারী।

ওর লড়াই দেখে এগিয়ে এল আশেপাশের মানুষ, ধরা পড়ল তিন ক্রিমিনাল। কিন্তু হায়, ছেলেটা হারিয়ে গেল না ফেরার দেশের মেঘের আড়ালে!

ছেলেটার নাম পারভেজ হোসেন( 22) , পুলিশ কন্সটেবল, টুরিস্ট পুলিশ ইউনিট, কক্সবাজার।

এরকম শত শত কন্সটেবল পারভেজের রক্তে এই ভাঙাচোরা দেশের মানুষ রাতের বেলা শান্তিতে ঘুমায়, তারপর সকাল বেলা নিজের কুকাম ঢাকতে ট্রাফিক সার্জেন্টকে ঘুষ দেয়। দুপুরে ভাত খাবার আগে মাদারচোত পুলিশ বলে গালি দিতেও ভোলেনা আবার!

মিডিয়াতে এগুলো আসেনা বেশিরভাগ সময়ে, আসলেও কোন এক কোনাকাঞ্চি দিয়ে। “আসামীর কাছ থেকে পয়সা খেল পুলিশ” আপনি প্রতিদিন দেখবেন, “ছিনতাই ঠেকাতে জীবন দিল পুলিশ” কখনোই নয়। পুলিশের কল্লা নিতে তৈরি বাকি সব সংস্থা, জনগণ সবাই- কিন্তু পুলিশকে কিভাবে উন্নত করা যায় তা নিয়ে দু লাইন লেখবার সময় কই?!

সবুজ টি শার্টের উপর ছুরির আঘাতে বের হওয়া রক্ত যেন ঠিক বাংলাদেশের পতাকা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হবেনা ওর, কিন্তু বাংলা মায়ের পতাকা ওর বুকে জড়ানো ঠেকল কই!

পারভেজ, ভাই আমার! ভাল থাকিস তুই!

Written By

Mashroof Hossain

Senior ASP

Bangladesh Police

Categories
Uncategorized

একটি গল্প

888নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ড উপ-নির্বাচনে শিমরাইল এলাকার রিকশার মালিক কয়েকজন বৃদ্ধ ভোটার ক্ষোভের সাথে উক্তি করেন, পা ধরলে যার মন গলেনা সেই বাবজান মাথা নত করে ভোট চাইতে আসছে ঘরের দোয়ারে। দেড় বছর আগে যার পা ধরে কেঁদেও টাকা না দিয়ে রিকশা ছাড়িয়ে আনতি পারিনি সেই পাষানকে ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত করলে কপালে কি দুঃখ আসে আল্লাই জানে।

জানা গেছে, আলোচিত ৭ হত্যা কান্ডের কিছু দিন আগে ভারতে গ্রেফতারকৃত নূর হোসেন বাহিনীর সন্ত্রাসীরা চাঁদার দাবিতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকার কমপক্ষে ৪ শতাধিক ব্যাটারি চালিত রিকশা আটক করেছিল। আটককৃত রিকশা ছাড়িয়ে নিতে মালিকদের চাঁদা দিতে হয়েছে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা করে। যারা টাকা দিতে অপরাকতা প্রকাশ করেছে তাদের রিকশার ব্যাটারি রেখে দিয়েছে নূর বাহিনী। ওই সময় শিমরাইল এলাকার আবদুল হামিদ ও রেশেদা বেগম নামে এক মহিলার রিকশাও আটক করা হয়। রিকশা ছাড়িয়ে আনতে রাশেদা বেগম শিমরাইল ট্রাক টার্মিনালে নূর হোসেনের অফিসে ছুটে যায়। নূর হোসেনের ঘনিষ্ট সহযোগী ও সন্ত্রাসী বাহিনীর কমান্ডার আরিফুল হক হাসানের কাছে গিয়ে কান্না কাটি করে তার রিকশা দিয়ে দিতে। তখন হাসান পরিস্কার জানিয়ে দেয় ১০ হাজার টাকা না দিলে রিকশা ফিরত দিবে না। এত টাকা দিবার অক্ষমতা প্রকাশ করে রিকশা ফিরত দিতে রাশেদা হাসানের পা ধরে কান্না কাটি শুরু করলে সন্ত্রাসীদের এ কমান্ডার অসহায় রাশেদাকে লাথি মেরে ফেলে দেয়। তার কান্না কাটিতে শেষ পর্যন্ত হাসান নূর বাহিনীর আরেক কমান্ডার আলী মোহাম্মদ ও কালা শাহজাহানকে বলে দেয় ৫ হাজার টাকায় রাশেদার রিকশা দিয়ে দিতে। পা ধরেও মনগলাতে না পেরে নিরুপায় হয়ে রাশেদা ৫ হাজার টাকা দিয়ে রিকশা ফিরিয়ে নেয়। একই ভোক্তভূগী আরেক রিকশা মালিক আবদুল হামিদ। তিনিও শিমরাইল বস্তির বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, নূর বাহিনীর কমান্ডার কালা শাহজাহান, আলী মোহাম্মদ ও আরিফুল হক হাসান মিলে তখন ৪ শতাধিক রিকশা মালিক থেকে ১০/১৫ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করেছে। এ বাহিনীর এ চাঁদাবাজিতে সে সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকার রিকশা মালিক ও চালকদের কান্নায় বাতাস ভারি হয়ে উঠে। এমন লোক রয়েছে যাদের রিকশা আজও ফিরত পায়নি। আজ তাদের কাছে দোয়ারে ছুটে যাওয়ায় ওই সব ভোক্তভূগীরা রশিকথা করে বলা বলি করছে, পা ধরলে যার মন গলে না সেই বাবজান আইছে ভোট চাইতে।

নাসিক ৪ নং ওয়ার্ড এলাকার রিকশা মালিক ও চালকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,পা ধরেও যে সন্ত্রাসী হাসানের মন গলাতে পারা যায়নি,সেই হাসান আজ ভোটের জন্য ওই সব রিকশা মালিক ও চালকদের ঘরের দোয়ারে গিয়ে মাথা নত করে ভোট চাইছে। এসব ভোটাররা জানায়, হাসান যখন ভোট চাইতে আসে তখন দেড় বছর আগে তার পা ধরার কথা মনে পড়ে যায়। সে কথা মনে পড়লে কষ্টে বুকটা ফাইটা যায়। পা ধরলেও যার মন গলে না এ পাষনকে ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত করলে কপালে কি দুঃখ আসে তা আল্লাহই জানে। নূর হোসেনের কমান্ডার হাসানের অপকর্ম, অত্যাচার, নির্যাতনের শিকার সাধারণ ওয়ার্ডবাসী অতিত ভুলে যায়নি বলে মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, আলোচিত ৭ হত্যা কান্ডের পর নূর হোসেনের পাশা পাশি কমান্ডার আরিফুল হক হাসানও এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পলাতক থেকেই ৪ নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনে কাউন্সির প্রার্থী হয় হাসান। প্রায় ১৫ মাস পলাতক থেকে গত ১১ জুলাই সকালে সে বীরদর্পে এলাকায় ফিরে আসে। এলাকায় এসেই তার আগের সেই সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে নির্বাচনী গণসংযোগের নামে মহড়া দিয়ে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছে। তার আগমনে নূর বাহিনী ও সমর্থকরা উল্লাসিত হলেও সাধারণ নিরীহ নির্যাতিত মানুষের মাঝে বিরাজ করছে ক্ষোভ ও আতঙ্ক।

Categories
আইন শৃঙ্খলা রাজনীতি সামাজিক অবস্থা

৪ নং ওয়ার্ডে উপ নির্বাচন ২ আগস্টSiddhirganj

 

 

 

siddhirganj-ward-4

 

 

Area: Shimrail, Ati, North Ajibpur, Ajibpur (Northern) (Total Area: 3.65 sq. km)

 

 

Boundary:

North– Joka Mouja of Dhaka

, South– Northern Part of Ajibpur Road of Siddhirganj (upto Shitalakhya River), East– Shitalakhya River, West– Narayanganj-Demra Road

Population: 23,385

Household: 5,655