Categories
Uncategorized

শিমরাইল এর সাজেদা হাসপাতাল হচ্ছে করোনা ট্রিটমেন্ট সেন্টারঃ চিকিৎসা ও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হচ্ছে সিদ্ধিরগঞ্জে

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে  শিমরাইল এর  কাঁচপুর ব্রিজের গোঁড়ায়   বেসরকারি   সাজেদা জেনারেল হাসপাতালকে পুরোপুরিভাবে প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টাইন ও করোনা ভাইরাস এর চিকিৎসার জন্য তৈরি  করার প্রক্রিয়া চলছে ।  সিদ্ধিরগঞ্জের মানুষদের করোনা আক্রান্ত হলে এখানেই সেবা নিতে পারবে সহজেই । 


সিদ্ধিরগঞ্জের  সাজেদা হাসপাতালে ৫০ শয্যার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ আহম্মেদ ।  এ হাসপাতালে কোয়ারেন্টিন সুবিধার পাশাপাশি কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা, আইসিইউ এবং ডায়ালিসিস সেবা যুক্ত থাকবে। এক্ষেত্রে, প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি ও পর্যবেক্ষণ সেবা প্রদান করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।দেশের অন্যতম বৃহৎ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রেনাটা লিমিটেডের সহায়তায় যৌথভাবে এর কার্যক্রম পরিচালনা করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সাজেদা ফাউন্ডেশন । 
বিশ্বজুড়ে সঙ্কট তৈরি করা প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ এর ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশও। এর বিস্তার ও সঙ্কট মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নারায়ণগঞ্জের সাজেদা হাসপাতালকে ৫০ শয্যার কোয়ারেন্টিন, ট্রিটমেন্ট সেন্টার হিসেবে প্রস্তুত করা হবে।
Image result for সাজেদা হাসপাতাল
 স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাথে রোববার  এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করলো সাজেদা ফাউন্ডেশন ও রেনাটা লি.।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জাহিদ মালেকের উপস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষে এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন এর মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ এবং সাজেদা ফাউন্ডেশনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী জাহেদা ফিজ্জা কবীর।
Categories
Uncategorized

সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুরিতে – ধানমন্ডির দৃক গ্যালারি কর্মকর্তার মৃতদেহ

BD-ws
দৃক গ্যালারির জেনারেল ম্যানেজার রেজাউর রহমান জানান, শনিবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে ধানমন্ডির ৮নম্বর সড়কে অবস্থিত ডাচবাংলা ব্যাংকের শাখা থেকে দৃক গ্যালারির তিন লাখ টাকা উত্তোলন করেন ইরফানুল ইসলাম। দুপুর বারটা থেকে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দৃক গ্যালারি ধানমন্ডি পনেরতে অবস্থিত। সেখানে তার ফিরে আসার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়া পর্যন্ত তিনি আর ফিরে আসেননি। রোববার সকালে পত্রিকায় নারায়ণগঞ্জে অপ্সাত পরিচয় লাশ উদ্ধারের খবর শুনে তারা নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে আসেন।

দুপুর দেড়টায় নিহতের বড় ভাই ইমদাদুল ইসলাম নওশাদ লাশ সনাক্ত করেন। কি কারনে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা তারা নিশ্চিত নন বলে জানান। তার ব্যাক্তিগত বা পারিবারিক কোন শত্রু ছিলোনা বলে তারা জানতে পেরেছেন। তার উত্তোলন করা ব্যাংকের টাকার জন্য তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি ধারনা করেন। নিখোজের পর তিনি বাদি হয়ে এ ব্যাপারে কলাবাগান থানায় একটি জিডি করেন।
নিহতের ভাই ইমদাদুল ইসলাম নওশাদ জানান, নিহতের পিতার নাম মাহবুবুল ইসলাম। ঢাকার হাজারীবাগ এলাকার মনেশ্বর রোডে তারা থাকেন। তার একটি মাত্র ছেলে। ছেলের নাম ইফতেখারুল ইসলাম উমাম। সে এসএসসি পরীক্ষার্থী। তার স্ত্রীর নাম জোহরা।

আজ দুপুর আড়াইটায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে তার ময়না তদন্ত সম্পন্ন করা হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আসাদুজ্জামান ময়না তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হতে পারে। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।<br
এর আগে শনিবার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় অজ্ঞাত হিসেবে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদস্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতল মর্গে প্রেরন করে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোখলেসুর রহমান জানান, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে জালকুড়ি এলাকায় শনিবার বিকেলে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসি পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। নিহতের শরীরে হলুদ পাঞ্জাবী ও সাদা রংয়ের প্যান্ট ছিল। তাকে হত্যা করা হয়েছে কিনা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে। হত্যা হয়ে থাকলে কারা কি কারনে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্তের পর বলা যাবে। এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় শনিবার গতকাল একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছিলো। এখন এটি হত্যা মামলায় রুপ নেবে। তিনি বলেন, অন্য কোথাও হত্যা করে তাকে এখানে এনে ফেলা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

 

 

Categories
Uncategorized

একটি গল্প

888নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ড উপ-নির্বাচনে শিমরাইল এলাকার রিকশার মালিক কয়েকজন বৃদ্ধ ভোটার ক্ষোভের সাথে উক্তি করেন, পা ধরলে যার মন গলেনা সেই বাবজান মাথা নত করে ভোট চাইতে আসছে ঘরের দোয়ারে। দেড় বছর আগে যার পা ধরে কেঁদেও টাকা না দিয়ে রিকশা ছাড়িয়ে আনতি পারিনি সেই পাষানকে ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত করলে কপালে কি দুঃখ আসে আল্লাই জানে।

জানা গেছে, আলোচিত ৭ হত্যা কান্ডের কিছু দিন আগে ভারতে গ্রেফতারকৃত নূর হোসেন বাহিনীর সন্ত্রাসীরা চাঁদার দাবিতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকার কমপক্ষে ৪ শতাধিক ব্যাটারি চালিত রিকশা আটক করেছিল। আটককৃত রিকশা ছাড়িয়ে নিতে মালিকদের চাঁদা দিতে হয়েছে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা করে। যারা টাকা দিতে অপরাকতা প্রকাশ করেছে তাদের রিকশার ব্যাটারি রেখে দিয়েছে নূর বাহিনী। ওই সময় শিমরাইল এলাকার আবদুল হামিদ ও রেশেদা বেগম নামে এক মহিলার রিকশাও আটক করা হয়। রিকশা ছাড়িয়ে আনতে রাশেদা বেগম শিমরাইল ট্রাক টার্মিনালে নূর হোসেনের অফিসে ছুটে যায়। নূর হোসেনের ঘনিষ্ট সহযোগী ও সন্ত্রাসী বাহিনীর কমান্ডার আরিফুল হক হাসানের কাছে গিয়ে কান্না কাটি করে তার রিকশা দিয়ে দিতে। তখন হাসান পরিস্কার জানিয়ে দেয় ১০ হাজার টাকা না দিলে রিকশা ফিরত দিবে না। এত টাকা দিবার অক্ষমতা প্রকাশ করে রিকশা ফিরত দিতে রাশেদা হাসানের পা ধরে কান্না কাটি শুরু করলে সন্ত্রাসীদের এ কমান্ডার অসহায় রাশেদাকে লাথি মেরে ফেলে দেয়। তার কান্না কাটিতে শেষ পর্যন্ত হাসান নূর বাহিনীর আরেক কমান্ডার আলী মোহাম্মদ ও কালা শাহজাহানকে বলে দেয় ৫ হাজার টাকায় রাশেদার রিকশা দিয়ে দিতে। পা ধরেও মনগলাতে না পেরে নিরুপায় হয়ে রাশেদা ৫ হাজার টাকা দিয়ে রিকশা ফিরিয়ে নেয়। একই ভোক্তভূগী আরেক রিকশা মালিক আবদুল হামিদ। তিনিও শিমরাইল বস্তির বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, নূর বাহিনীর কমান্ডার কালা শাহজাহান, আলী মোহাম্মদ ও আরিফুল হক হাসান মিলে তখন ৪ শতাধিক রিকশা মালিক থেকে ১০/১৫ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করেছে। এ বাহিনীর এ চাঁদাবাজিতে সে সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকার রিকশা মালিক ও চালকদের কান্নায় বাতাস ভারি হয়ে উঠে। এমন লোক রয়েছে যাদের রিকশা আজও ফিরত পায়নি। আজ তাদের কাছে দোয়ারে ছুটে যাওয়ায় ওই সব ভোক্তভূগীরা রশিকথা করে বলা বলি করছে, পা ধরলে যার মন গলে না সেই বাবজান আইছে ভোট চাইতে।

নাসিক ৪ নং ওয়ার্ড এলাকার রিকশা মালিক ও চালকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,পা ধরেও যে সন্ত্রাসী হাসানের মন গলাতে পারা যায়নি,সেই হাসান আজ ভোটের জন্য ওই সব রিকশা মালিক ও চালকদের ঘরের দোয়ারে গিয়ে মাথা নত করে ভোট চাইছে। এসব ভোটাররা জানায়, হাসান যখন ভোট চাইতে আসে তখন দেড় বছর আগে তার পা ধরার কথা মনে পড়ে যায়। সে কথা মনে পড়লে কষ্টে বুকটা ফাইটা যায়। পা ধরলেও যার মন গলে না এ পাষনকে ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত করলে কপালে কি দুঃখ আসে তা আল্লাহই জানে। নূর হোসেনের কমান্ডার হাসানের অপকর্ম, অত্যাচার, নির্যাতনের শিকার সাধারণ ওয়ার্ডবাসী অতিত ভুলে যায়নি বলে মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, আলোচিত ৭ হত্যা কান্ডের পর নূর হোসেনের পাশা পাশি কমান্ডার আরিফুল হক হাসানও এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পলাতক থেকেই ৪ নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনে কাউন্সির প্রার্থী হয় হাসান। প্রায় ১৫ মাস পলাতক থেকে গত ১১ জুলাই সকালে সে বীরদর্পে এলাকায় ফিরে আসে। এলাকায় এসেই তার আগের সেই সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে নির্বাচনী গণসংযোগের নামে মহড়া দিয়ে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছে। তার আগমনে নূর বাহিনী ও সমর্থকরা উল্লাসিত হলেও সাধারণ নিরীহ নির্যাতিত মানুষের মাঝে বিরাজ করছে ক্ষোভ ও আতঙ্ক।