Categories
আইন শৃঙ্খলা

ইয়াবার ভয়াল গ্রাসে সিদ্ধিরগঞ্জ – শেয়ার করুণ

yaba-siddhirganj

বিষাক্ত মরন নেশা ইয়াবার ছোবলে আক্রান্ত  আমাদের সিদ্ধিরগঞ্জ ।

থানা এলাকায় মাদকের প্রসার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি পাড়ামহল্লায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা। দিন দিন বেড়েই চলেছে ইয়াবা সেবীদের সংখ্যা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় কমপক্ষে পাচ শতাধিক  নারী-পুরুষ গাঁজা, ফেনসিডিল, হেরোইন, মদ, ইয়াবসহ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। থানার এমন কোন এলাকা বাদ নেই, যে এলাকাতে ইয়াবার বিক্রি হচ্ছেনা।

অনেকের কাছে ইয়াবা বিক্রি করা একটি নতুন অর্থ উপার্জনের একটি সহজ উৎস বলে জানা যাচ্ছে । আটি , ওয়াপদা কলোনির  দিন মজুর সর্দার এর ছেলে  রাসেল (  ছেঁচড়া রাসেল  ) ইয়াবা বিক্রির টাকায় কিছুদিন আগে ধুম ধাম করে বিয়ে করেছে বলে জানা যায় ।  অনেক উঠতি বয়সের ছেলে পেলে নতুন ইয়াবা বিক্রির ব্যাবসা শুরু করেছে বিভিন্ন যায়গায় ।

ইয়াবার অবাধ ছড়াছড়িতে যে কেউ হাত বাড়ালেই পেয়ে যাচ্ছে  । ইয়াবার দাম মাত্র যেখানে ১৫০ টাকা ।   স্কুল  কলেজ পড়–য়া ছাত্ররাও ঝুঁকে পড়েছে ইয়াবা সেবনে। এলাকাবাসীর অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসন মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন না করায় প্রকাশ্যে দাপটের সাথে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা।

সম্প্রতি  ইয়াবার কয়েকটি নমুনা সংগ্রহ করে সরবরাহকারীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে ডিবি পুলিশ। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দক্ষিণের অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও প্রতিরোধ ইউনিটের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. আসাদুজ্জামান বাংলানিউজকে জানান, কয়েকমাস আগে রাজধানীর বাসাবো থেকে বিপুলসংখ্যক ইয়াবা উদ্ধার করার পর ল্যাব টেস্ট করা হয়। এতে দেখা যায়, এগুলো জন্মবিরতিকরণ পিল।

শুধু তাই নয়, ইয়াবার নামে অনেক সময় ঘুমের ওষুধ বিক্রি করা হয়। ডিবি পুলিশের (উত্তর) অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও প্রতিরোধ ইউনিটের এসি একেএম মাহবুবুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, ঘুমের ওষুধে লাল রং দিয়ে ডব্লিউওয়াই (WY) লিখে বাজারে বিক্রি করে। মাত্র ৫০ টাকার এসব ইয়াবা পাওয়া যায় ।

নিয়মিত ইয়াবা গ্রহণ করেন  এমন একজন  বিডিনিউজনেট কে জানান, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিশেষ করে যারা আগে কখনো ইয়াবা খায়নি তাদের কাছে এটি বিক্রি করা হয়। অপরিচিত ও নতুন গ্রাহককে এসব নকল ইয়াবা দিয়ে প্রতারণা করা হয় বলে জানান তিনি।

 

 

তাছাড়া মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে স্থানীয় প্রশাসনেরও রয়েছে কিছুটা সখ্যতা।অল্প কিছু  প্রশাসনের কর্মকর্তারা পাচ্ছে নিয়মিত মাসোহারা।কিন্তু তাই বলে সবাই  দুরনিতিগ্রস্থ নয় ।  পর্যবেক্ষক মহলের মতে, মাদকের আগ্রাশনের কারণেই থানা এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, খুন, ধর্ষনসহ অপরাধ মুলক কর্মকান্ড ব্যপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দিন দিন আইনশৃংখলার পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে হয়রানীর শিকার হতে হয়। ইয়াবা বিক্রেতাদের শেল্টারদাতা সন্ত্রাসী ব্যক্তিদের নির্যাতন হুমকি ধামকি মাদক বিক্রেতাদের সাজানো মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে পুলিশী হয়রানীসহ নানা ঝামেলায় পরতে হয় প্রতিবাদকারীর। যে কারণে ভয়ে কেহ প্রতিবাদ করেনা।

কিছু পুলিশের সাথে মাদক বিক্রেতাদের গোপন আঁতাত থাকায় পুলিশ তদন্ত ছাড়াই প্রতিবাদকারীর বিরুদ্ধে মাদক বিক্রেতাদের সাজানো মিথ্যা মামলা রুজু করে গ্রেফতার অভিযান শুরু করে দেয়। ফলে মাদক ব্যবসায়ীরা কাউকে পাত্তা দিচ্ছেনা।

তবে এলাকাবাসিদের মধ্যে প্রতিবাদী তরুণরা একসাথে হলেই মাদক এবং ইয়াবা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা ।

স্বাস্থ্যগত সমস্যা

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘বাংলাদেশে এখন ইয়াবাসেবী তরুণের সংখ্যা ৪০ লাখের কম নয়৷ এথেকেই প্রতিদিন বাংলাদেশে ইয়াবা ব্যবহারের পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা করা সম্ভব৷”

তিনি জানান, ‘‘এখন চিকিৎসা নিতে আসা মাদকসেবীদের ৮০ ভাগই ইয়াবা আসক্ত৷ এরা বয়সে তরুণ এবং অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল ঘরের সন্তান৷ তরুণীরাও এই মাদক গ্রহণ করছেন৷” ডা. ইসলাম বলেন, ‘‘ইয়াবা সেবনে শরীরে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হয়৷ সেবনের পর প্রথমে মনে হয় শরীরে অনেক শক্তি এসেছে, সব ক্লান্তি কেটে গেছে৷ এটি একটি উত্তেজক মাদক৷ দীর্ঘমেয়াদে এটি পুরো স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রচণ্ড খারাপ প্রভাব ফেলে৷ স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কাঠামো ও কার্যক্রম নষ্ট করে দেয়৷ এ ধরনের মাদকের প্রভাবে অনেক সময় মানুষ বদ্ধ পাগলের মতো আচরণ করে (সাইকোসিস সিনড্রম)৷

এর ফলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের (স্ট্রোক) ঝুঁকিও তৈরি হয়৷ছেলেদের শরীরে উপরেও ইয়াবার মারাত্মক প্রভাব পড়ে। নিয়মিত সেবনে পিঠে ব্যথা, পিঠ গোলাকার হয়ে যাওয়া, শরীরের বিভিন্ন হাড় ও জোড়ায় ব্যথা, সামান্য আঘাতে হাড় ভেঙে যাওয়ার মতো জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে জানান তিনি।

মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করতে জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।sid

Categories
আইন শৃঙ্খলা

অবশেষে তানিয়া হত্যা মামলার ২ আসামির ফাঁসি ৩ জনের যাবজ্জীবন

সিদ্ধিরগঞ্জ রেবতী মোহন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী তানিয়া আক্তারকে ১৯৯৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর পালাক্রমে ধর্ষনের পর হত্যা করে আসামিরা।তানিয়া বাড়ির বাইরে গেলে আসামিরা তাকে জোর করে ধরে নিয়ে যায়। ঘটনার পরদিন তার লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় তানিয়ার মামা ফারুক মিয়া বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করে।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এজাহার নামীয় ৬ আসামিকেই অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। দেরীতে হলেও মামলার রায়ে বাদী পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

স্কুল ছাত্রী তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার ২ আসামিকে ফাঁসি ও ৩ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন আদালত। দীর্ঘ ১৬’বছর পর নারায়ণগঞ্জ জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা গতকাল মঙ্গলবার

দুপুরে আসামিদের উপসি’তিতে এ রায় ঘোষণা করেন। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, খোকন মিয়া ও মোহর চাঁন। আর যাবজ্জীবন সাজাপ্রপ্তিরা হলো, সফর আলী, নূরে আলম ও মনির হোসেন। তারা মিয়া নামে আরেকজন আসামি থাকলেও তিনি আগেই মারা গেছেন।

Categories
আইন শৃঙ্খলা রাজনীতি সামাজিক অবস্থা

৪ নং ওয়ার্ডের পাচটি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ -আইনশৃঙ্খলা কমিটি নির্বাচন কমিশন

1438260873নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ৪ নং ওয়াডের্র উপ-নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সভাটির আয়োজন করেন জেলা নির্বাচন কমিশন।

সভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তারিফুজ্জামান বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৪ নং ওয়ার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী এলাকা। এ ওয়ার্ডে পাঁচটি ভোট কেন্দ্র রয়েছে যার প্রতিটিই কোন না কোন প্রার্থীর বাড়ির সন্নিকটে অবস্থিত। ফলে প্রতিটি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই নির্বাচনকে ঘিরে যেন কোন ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা না ঘটে এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। এছাড়া নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।

siddhirganj-ward-4
নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তারিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ছিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আশুতোষ দাশ, এনএসআই-এর উপ-পরিচালক মো. তৌহিদুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার এ সার্কেল মো. মনিরুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আক্তার চৌধুরী, আনসার-ভিডিপি, র‌্যাব-১১ কমান্ডার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সহিদুল হক পাটওয়ারী, মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম এবং কাজী মোহাম্মদ ফয়সাল প্রমুখ।

Categories
আইন শৃঙ্খলা গুরত্বপুরন ব্যাক্তিত্ব সামাজিক অবস্থা

পারভেজ, ভাই আমার! ভাল থাকিস তুই!

মাত্র বাইশ বছর বয়েস ছিল ছেলেটার, পুলিশের কন্সটেবলের চাকুরি করত। দিনে ষোল থেকে আঠারো ঘন্টা ডিউটি, ছুটি নেই। মাথার উপরে সিনিয়র অফিসারের বকাঝকা, আর নীচে পাবলিকের গালি। এর মধ্যেই কেটে যাচ্ছিল জীবন।

গালি দেবার বেলায় বাঙালি বড়ই স্মার্ট, ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে সুযোগ পেলে বারাক ওবামার মায়ের সাথেও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে এক মুহূর্ত দেরি করেনা -আর পুলিশ তো কোন ছার! দুষ্ট বদমায়েশ নেই হেন কোন জায়গা এদেশে নেই, তবে বিচিত্র কারণে সবাই মনে করে- একমাত্র পুলিশ ছাড়া এদেশের বাকি সবাই স্বয়ং ভগবান প্রেরিত দেবদূতবিশেষ!

এভাবেই কেটে যাচ্ছিল দিন। গরীব দেশ, এক হাজার জনের জন্য পুলিশ কতজন তা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খোঁজা লাগে। দুর্নীতি, নোংরামির দুষ্টচক্র তো আছেই! সরকারের বরাদ্দ অতি সামান্য, মাথাপিছু দৈনিক ত্রিশ পয়সার কাছাকাছি ট্যাক্স দেয় জনগণ- আর আশা করে ওতেই দেশের পুলিশ এনওয়াইপিডি এর চেয়েও আধুনিক হবে।

Badge_of_BP

ছেলেটার ছোট্ট মাথায় এতসব খেলে না, ও শুধু জানে- পুলিশের চাকুরি মানে চোর ডাকাতের হাত থেকে মানুষকে বাঁচানো। ওটা করতে গেলে প্রাণ যায় যাক, তাও মান বাঁচুক!

বৃহষ্পতিবার কক্সবাজারের লাবনী পয়েন্টে দাঁড়িয়ে ছিল ও। না, ডিউটি শুরু হয়নি তখনও- এমনিই এসেছে সাদা পোশাকে, অস্ত্রও আনেনি সাথে। পুলিশ হলে বুঝি সাগরের ঢেউ দেখতে ইচ্ছে করেনা?!

হঠাৎ চোখে পড়ল একটা দৃশ্য- আরে! কি হচ্ছে ওখানে? দেখে তো মনে হচ্ছে ছিনতাই!

সাথে অস্ত্র নেই, পরা নেই ইউনিফর্মও। যেহেতু এটা ডিউটির সময় না, মুখ ফিরিয়ে চলে গেলেও কারও কিছু বলার নেই। চলেও যেত ও, এরকম ছিনতাই কতই না হয়!

কিন্তু না! পাসিং আউট প্যারেডে কুরআন শরীফ সামনে রেখে প্রতিজ্ঞা করেছিল সবাই- নিজের প্রাণ বিপন্ন করে হলেও মানুষের জানমালের হেফাজত করবে। নাই বা থাকল হাতিয়ার, নাই বা হল ডিউটির সময়, পালিয়ে গেলে আয়নায় মুখ দেখাবে কিকরে!

আঠারো বছর বয়েসে পুলিশে ঢুকেছে ও, ফোর্স ওকে আর ওর পরিবারকে এতদিন রেশন খাইয়েছে। উর্দি পরণে না থাকুক, উর্দির ফরজ নেভানোর এই তো সময়!

রণহুংকার ছেড়ে খালি হাতে এগিয়ে গেল ও, একাই জাপটে ধরল অস্ত্রধারী তিন তিনজন ছিনতাইকারীকে।

সাড়ে ছয় হাজার টাকা ছিল ভিকটিমের পকেটে, ওটা কেড়ে নিতে বুকের ঠিক মাঝখানে ছুরি বিঁধিয়ে দিল ছিনতাইকারী।

ওর লড়াই দেখে এগিয়ে এল আশেপাশের মানুষ, ধরা পড়ল তিন ক্রিমিনাল। কিন্তু হায়, ছেলেটা হারিয়ে গেল না ফেরার দেশের মেঘের আড়ালে!

ছেলেটার নাম পারভেজ হোসেন( 22) , পুলিশ কন্সটেবল, টুরিস্ট পুলিশ ইউনিট, কক্সবাজার।

এরকম শত শত কন্সটেবল পারভেজের রক্তে এই ভাঙাচোরা দেশের মানুষ রাতের বেলা শান্তিতে ঘুমায়, তারপর সকাল বেলা নিজের কুকাম ঢাকতে ট্রাফিক সার্জেন্টকে ঘুষ দেয়। দুপুরে ভাত খাবার আগে মাদারচোত পুলিশ বলে গালি দিতেও ভোলেনা আবার!

মিডিয়াতে এগুলো আসেনা বেশিরভাগ সময়ে, আসলেও কোন এক কোনাকাঞ্চি দিয়ে। “আসামীর কাছ থেকে পয়সা খেল পুলিশ” আপনি প্রতিদিন দেখবেন, “ছিনতাই ঠেকাতে জীবন দিল পুলিশ” কখনোই নয়। পুলিশের কল্লা নিতে তৈরি বাকি সব সংস্থা, জনগণ সবাই- কিন্তু পুলিশকে কিভাবে উন্নত করা যায় তা নিয়ে দু লাইন লেখবার সময় কই?!

সবুজ টি শার্টের উপর ছুরির আঘাতে বের হওয়া রক্ত যেন ঠিক বাংলাদেশের পতাকা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হবেনা ওর, কিন্তু বাংলা মায়ের পতাকা ওর বুকে জড়ানো ঠেকল কই!

পারভেজ, ভাই আমার! ভাল থাকিস তুই!

Written By

Mashroof Hossain

Senior ASP

Bangladesh Police

Categories
আইন শৃঙ্খলা রাজনীতি সামাজিক অবস্থা

৪ নং ওয়ার্ডে উপ নির্বাচন ২ আগস্টSiddhirganj

 

 

 

siddhirganj-ward-4

 

 

Area: Shimrail, Ati, North Ajibpur, Ajibpur (Northern) (Total Area: 3.65 sq. km)

 

 

Boundary:

North– Joka Mouja of Dhaka

, South– Northern Part of Ajibpur Road of Siddhirganj (upto Shitalakhya River), East– Shitalakhya River, West– Narayanganj-Demra Road

Population: 23,385

Household: 5,655

 

Categories
আইন শৃঙ্খলা এলাকার সমস্যা সামাজিক অবস্থা

সিসি টিভির আয়তায় আনা হবে পুড়ো সিদ্ধিরগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ শিমরাইল মোড় এলাকার সকল পরিবহন সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজ,ছিনতাইকারী ও অবৈধ দখলবাজসহ নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী সকল অপরাধীদের মূহুর্তে চিহ্নিতকরন এবং থানায় পুলিশের দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও আগন্তুক সর্বসাধারনের গতিবিধি পর্যবেক্ষনের লক্ষ্যে থানাসহ মহাসড়কের গুরুত্ব পূর্ন স্থানে শক্তিশালী ইন্টারনেট প্রযুক্তি নির্ভর ক্লোজ সার্কিট আইপি ক্যামেরা স্থাপন করেছে জেলা পুলিশ প্রশাসন। এর মধ্যে মহাসড়কের শিমরাইল মোড় ডাচ্ বাংলা থেকে কাঁচপুর ব্রীজ এলাকা পর্যন্ত ৮টি এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ৪টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসির কক্ষে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা উদ্বোধন করেন,নারায়নগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ড.খন্দকার মহিদ উদ্দিন।

0081-1728x800_c

এসময় ড.মহিদ বলেন, সিসি ক্যামেরার সাহায্যে থানায় ওসির কক্ষে বসেই শিমরাইল মোড় এলাকার অবৈধ দখলদার,চাঁদাবাজসহ বিভিন্ন অপরাধীদের দ্রুত সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রত্যেকটি এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রনে পর্যায়ক্রমে সকল গুরুত্বপূর্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। এসব ক্যামেরা গুলো সার্বক্ষনিক মনিটরিং করার মাধ্যমে আমাদের ফোর্স নিয়মিত মাঠে কাজ করবে। হঠাৎ কোন ক্যামেরায় গোলযোগ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের টিম গিয়ে সেটি তদারকি করবে।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) মো:ফোরকান শিকদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো:জাকারিয়া,সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো:শরাফত উল্লাহ,ওসি (তদন্ত) মো:রফিকুল ইসলাম ও সেকেন্ড অফিসার এসআই মনসুর আলী আরিফ প্রমূখ।

 

রুদ্রবার্তা২৪

Categories
আইন শৃঙ্খলা গুরত্বপুরন ব্যাক্তিত্ব রাজনীতি

কিসের খালেদা, দায়িত্ব দেন এক ঘণ্টায় সব ঠিক করে ফেলব: শামীম ওসমান

 

Shamim Osman

সিদ্ধিরগঞ্জের মাননীয় সংসদ সদস্য  শামীম ওসমান বলেছেন, ‘ছাত্ররাজনীতি করাকালে জিয়াউর রহমানের গাড়ি থেকে পতাকা নামিয়েছি। এরশাদকে বাধা দিয়েছি। খালেদা জিয়াকে লংমার্চে বাধা দিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘আমি নেত্রীকে (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) বলেছি। কিসের খালেদা জিয়া, আমাদের দায়িত্ব দেন এক ঘণ্টায় ঢাকা এসে সমস্ত কিছু ঠিক করে ফেলব।’
আজ শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জপুল এলাকায় তাঁকে দেওয়া গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে শামীম ওসমান এসব কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনকে ট্যাক্স প্রদান বন্ধ করতে সিদ্ধিরগঞ্জবাসীর প্রতি আহ্বান জানান নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের ক্ষমতাসীন দলের এই সাংসদ। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জবাসীর উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনারা সিটি করপোরেশনকে ট্যাক্স প্রদান বন্ধ করে দেন। আমি উন্নয়ন করে দেব।’
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি আবদুল মতিন মাস্টার, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নূর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া, যুবলীগের আহ্বায়ক মতিউর রহমান মতি প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন শামীম ওসমান। ২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে মেয়র প্রার্থী হলেও সেলিনা হায়াত আইভীর কাছে এক লাখ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি।

© Copyright 2013 – আমাদের সময়