Categories
আইন শৃঙ্খলা সিদ্ধিরগঞ্জ থানা

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুর্নীতিবাজ ওসি সারাফত উল্লাহ প্রত্যহার ও বিভাগীয় ব্যবস্থা

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিতর্কিত ওসি (প্রশাসন) মুহাম্মদ সরাফত উল্লাহকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। ওসি সরাফত উল্লাহ সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় যোগদানের পর থেকে তার বিরুদ্ধে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বাইরে খোদ ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতাদের বড় একটি অংশও তার ওপর ক্ষব্ধ।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন ও বিধবা নারী আছমা বেগমের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি সরাফত উল্লাহ, পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল হোসেন ও এসআই ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে তদন্ত কমিটি। দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও সরকারি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করায় অভিযুক্ত তিনজনকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহার করার জন্য জেলা পুলিশ সুপার বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এর ভিত্তিতে অভিযুক্ত ওসিসহ তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয় ।

গত ৬ই মে শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের হানিফ খান মিলনায়তনে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকার মৃত হোসেন আলী সাউদের স্ত্রী আছমা বেগম সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, তার বাবার ওয়ারিশ সূত্রে সিদ্ধিরগঞ্জে ৪৯ দশমিক ৫০ শতাংশ সম্পত্তি আমরা ৭ ভাই বোন ভোগ করে আসছি।  সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার এলাকা আব্দুল্লাহ আল মামুনের ছেলে সাকিব বিন মাহমুদ (৫০), মো. মহসিন ও মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে মনির জোর করে ওই সম্পত্তি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে।
পরে গত ২৫শে এপ্রিল আদালতে পিটিশন দায়ের করা করা হলে আদালত ভূমিতে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে আদেশ দেন। আমি আদেশের নথি নিয়ে ওইদিন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি সরাফত উল্লাহর সঙ্গে দেখা করতে গেলে উল্টো আমার সঙ্গে অশোভন আচরণ করে থানা থেকে বের করে দেয়। পরে জানতে পারি ওসি আগে থেকেই আসামিদের থেকে ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ ছিল। পর দিন ২৬শে এপ্রিল সকাল ১০টায় আমি আদালতের আদেশ নিয়ে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল হোসেনের সঙ্গে দেখা করলে তিনি ওই আদেশ রাখার জন্য আমার কাছে ২ হাজার টাকা গ্রহণ করেন।
এ ছাড়াও এসআই জাহাঙ্গীর আলম আমার ভাই আলীর কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়ে নালিশা ভূমিতে আসামিদের কাজ বন্ধ করে দেন। কিন্তু ২ থেকে ৩ মিনিট পর থানার অপর এসআই ফারুক এসে আমার ভাই মো. আলী সহ ওমর ফারুক ও ইমরানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তখন তাদের ছেড়ে দিতে এসআই ফারুক ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করে এবং ওইদিন রাত ১১টায় থানার ওসির সঙ্গে দেখা করতে বলে।
পরে আমি রাত সাড়ে ১১টায় ৫০ হাজার টাকা সহ আমার বাড়ির কর্মচারী দেলোয়ারকে থানায় পাঠাই। ওমর ফারুক সেই টাকা গ্রহণ করে। এদিকে মিথ্যে মামলায় ১৯ দিন জেল খেটে গত ১৬ই মে জামিনে মুক্ত হয় ওই বিধবার ভাই মো. আলী ও তার মেয়ের জামাতার কর্মচারী ওমর ফারুক ও ইমরান।

  • তথ্য সুত্র – সিদ্ধিরঞ্জ ডট কম  ও প্রথম আলো ও মানব্জমিন
Categories
আইন শৃঙ্খলা

র‌্যাব ১১ সাথে ক্রসফায়ারে আইল পাড়ার ইয়াবা ব্যাবসায়ি ও সন্ত্রাসী দেলু নিহত ।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-১, কালীরবাজার ক্যাম্প অধিনায়ক এএসপি শাহ্ মো: শিবলী সাদিক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে দূর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ডাকাত সর্দার মাস্টার দেলু  গোদনাইল বার্মষ্ট্যান্ড এলাকায় মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইসমাইল হোসেন এর বাড়ির ২ তলায় অবস্থান করছে। এরপর রবিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে র‌্যাব বাড়িটি গিয়ে ফেলে। এসময় মাস্টার দেলু বাহিনী র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। পরে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছুঁড়লে দেলু গুলিবিদ্ধ হয়। তারপর দেলুকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ১’শ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দেলুকে মৃত ঘোষণা করেন। শিবলী সাদিক আরো জানান, দেলুর আস্তানা থেকে অস্ত্র, গুলিসহ মাদস্ত্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী মাস্টার দেলু নিহত হওয়ার সংবাদ পেয়ে ভোর থেকেই তার নির্যাতনের শিকার সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার বহু মানুষ একনজর তার rab-bangladesh-law-nd-orderলাশটি দেখতে মর্গে ভীড় জমাচ্ছে। মর্গে আগত এলাকাবাসি জানান, দেলু সিদ্ধিরগঞ্জ, তল্লা এলাকায় নিরীহ মানুষের উপড় যে পরিমানে অত্যাচার চালিয়েছে আল্লাহ র‌্যাবের মাধ্যমে তার বিচার করেছেন। সাধারন জনগণ দেলুর নিহত হওয়ার ঘটনায় র‌্যাবকে সাধুবাদ জানান।পুলিশ জানান, দেলুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, মাদক, ডাকাতি, অস্ত্রসহ বহু মামলা রয়েছে।

 

এর আগে এপ্রিল মাসে দেলুকে গ্রেফতারো করা হয় ঃ

db-b20160403153351

 

এপ্রিল ২০১৬ পুলিশের অভিযানে আইল পাড়া থেকে ২ টি পিস্তল , ২৭ রাউন্ড গুলি ও হেরোইন উদ্ধার

Categories
আইন শৃঙ্খলা

এক সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই লজ্জিত করল বাংলাদেশ পুলিশের ইমেজ কে – দিন বদলের সময় আসবে কবে

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে ৩১ আগস্ট রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাশে সোর্স নজরুল ভাড়া বাসায় ডেকে এনে এক আসামীর দুই স্ত্রীকে  শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ ঠে  আসে  ।

পরদিন এই দুই মহিলা সাংবাদিক ও বিভিন্ন আইনজীবীদের কাছে অভিযোগ করলে । কালের কন্ঠ ও অনলাইনে এই খবরে তোলাপার শুরু হয়ে যায় । ডাকাতি মামলায় মিজমিজি দক্ষিণপাড়া  থেকে একজনকে গ্রেফতার করে ৩১ আগস্ট রিমান্ডে নেয় পুলিশ। ওই রাতেই রিমান্ডে নির্যাতন করা হবে না শর্তে ২৫ হাজার টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় দুই সতীনকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে এসআই আতাউর ও তার দুইজন সোর্স নজরুল এবং শুভের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে গঠন করা হয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি। শুক্রবার আটক করা হয় দুইজন সোর্স নজরুল ও শুভকে।

 

এই ঘটনার সত্যি মিথ্যা কখন বের হয়ে আসবে না ।  কিন্তু শুধুমাত্র একজন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশের এস আই এর কারনে আজ সমগ্র প্রতিষ্ঠানটি সোসাল  মিডিয়াতে  পুলিশ এর নামে মানুষ বিভিন্ন নেগেটিভ মন্ত্যব্য করছে । এই ঘটনায় এস আই আতাউর সরাসরি জড়িত ছিল না কি ছিল না তার থেকে গুরত্বপুরন । ইচ্ছার বিরুদ্ধে দুই  নারীর সম্ভ্রম কেড়ে নেবার মত উন্মাদনা কেন আমাদের মত মুসলিম দেশে আজো চলছে ।

 

আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সোর্স রা ইয়াবা সেবি কিংবা প্রত্যখ্য ভাবে এর ব্যাবসার সাথেই জড়িত । ক্রাইম দমন করতে গিয়ে , ক্রিমিনাল দের সাথে থেকে যখন আইন রক্ষাকারী করে বসে মানবের হিন্যতম অপরাধ তখন প্রশ্ন থেকে যায়  রাষ্ট্রের কাছে ।  আর কত ধামা চাপা দিতে হবে আমাদের কলঙ্ক গুলোকে

Categories
আইন শৃঙ্খলা

ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার বন্ধ – হাইকোর্টের রুল – সচেতন হউন পুলিশি গ্রেফতারের ব্যাপারে

অনেক বৎসর থেকেই ৫৪ ধারার অপ ব্যাবহার এর বিভিন্ন ঘটনা এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় হাইকোর্টের এক যুগান্তকারী রায় এর মাধ্যমে বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলায় রক্ষা বাহিনীকে আরো জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আশা হয়েছে ।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার এই রায় দেয়।

এর ফলে ৫৪ ধারা ও ১৬৭ ধারা নিয়ে হাই কোর্টের দেওয়া নির্দেশনা বহাল এবং তা মানায় সরকারের বাধ্যবাধকতা থাকছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

এখন থেকে যে কোন পুলিশি গ্রেফতারের আগে পুলিশের কাছ থেকে পরিচয়পত্র এবং  ওয়ারেন্ট দেখার অধিকার রাখেন নাগরিক রা।

যে কোন বেআইনি কর্মকাণ্ডে হাতে নাতে ধরা পড়া  ব্যাতিত সম্পূর্ণ সন্ধেহর ভিত্তিতে  পুলিশ চাইলেই কাউকে গ্রেফতার করতে পাড়বে না ।

হাইকোর্টের নির্দেশনা ঃ

ক. আটকাদেশ (ডিটেনশন) দেওয়ার জন্য পুলিশ কাউকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করতে পারবে না।

  • খ. কাউকে গ্রেপ্তার করার সময় পুলিশ তার পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য থাকবে।

    গ. গ্রেপ্তারের তিন ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে কারণ জানাতে হবে।

    ঘ. বাসা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য স্থান থেকে গ্রেপ্তার ব্যক্তির নিকট আত্মীয়কে এক ঘণ্টার মধ্যে টেলিফোন বা বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে বিষয়টি জানাতে হবে।

    ঙ. গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে তার পছন্দ অনুযায়ী আইনজীবী ও আত্মীয়দের সঙ্গে পরামর্শ করতে দিতে হবে।

    চ. গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে কারাগারের ভেতরে কাচের তৈরি বিশেষ কক্ষে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। ওই কক্ষের বাইরে তার আইনজীবী ও নিকট আত্মীয় থাকতে পারবেন।

    ছ. জিজ্ঞাসাবাদের আগে ও পরে ওই ব্যক্তির ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে হবে।

    ট. পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে ম্যাজিস্ট্রেট সঙ্গে সঙ্গে মেডিকেল বোর্ড গঠন করবে। বোর্ড যদি বলে ওই ব্যক্তির ওপর নির্যাতন করা হয়েছে তাহলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যবস্থা নেবেন এবং তাকে দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারায় অভিযুক্ত করা হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী কোনো পুলিশ সদস্য যদি কাউকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করে, কিংবা ১৬৭ ধারায় রিমান্ডে নেয়, তবে তার বিরুদ্ধে ব্যব্স্থা নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এ কথা জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে এ কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, ‘হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগ বহাল রেখেছেন। কাজেই উচ্চ আদালতের রায় আমাদের জন্য মানা বাধ্যতামূলক। উচ্চ আদালত যে রায় দিয়েছেন তা আমি শুনেছি। এখনো রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি হাতে পাইনি। রায়ের কপি পেলে কী কী নির্দেশনা আছে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আজ সকালে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারা অনুযায়ী বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার ও রিমান্ড বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশনা বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, “সব সময় আগে থেকে মামলা করে ধরা সম্ভব হয় না। অপেক্ষা করে বসে থাকলে তো সে পালাবে। যেমন যুদ্ধাপরাধী বাচ্চু রাজাকার গ্রেপ্তারের নির্দেশ শুনে পালিয়েছে।… এগুলো জেনারালাইজ করা যাবে না। একেকটা ঘটনায় একেক রকম পদক্ষেপ নিতে হয়। তবে যাই হোক না কেন, আদালতের নির্দেশের আলোকেই নিতে হবে। আশা করি আদালতও বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করবে।”

মাহবুবে আলমের বিশ্বাস, নিজেদের পরিচয় না দিয়ে আইন-শৃংখলা বাহিনী কাউকে কখনো গ্রেপ্তার করতে যায় না।

“এখন দেখা যাচ্ছে এক জনকে শক্রুতা বশত গায়েব করে ফেলছে, পরিচয় দিচ্ছে আইন শৃংখলা-বাহিনীর লোক। আশা করি এটা বন্ধ হবে। সাদা পোশাকে যারা করবে তাদের কাজ হবে আসামিকে অনুসরণ করা, গতিবিধি লক্ষ্য করা; তাকে গ্রেপ্তার করার সময় নিশ্চই পরিচয় দেওয়া উচিত।”

অন্যদিকে ব্যারিস্টার সারা হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন- বাহাত্তরের সংবিধানপরবর্তী সময়ে আমাদের পুরনো আইনগুলো কীভাবে ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ করা হবে সেটা আমরা এই রায়ের মাধ্যমে পেয়েছি।

“বাহাত্তরের সংবিধানে আমাদের গ্রেপ্তার ও আটকাদেশের বিষয়ে কিছু রক্ষাকবচের ব্যবস্থা ছিল। আইনজীবীর সহযোগিতা পাবার অধিকার, আমরা যখন গ্রেপ্তার হই বা আমাদের যখন আটকাদেশ দেওয়া হয় আমাদেরকে কোর্টের সামনে সোপর্দ করতে হবে। ৩৬ ধারায় বলা হয়েছে হেফাজতে যে কোনো ধরনের নির্যাতন একেবারে নিষিদ্ধ। যে কোনো ধরনের অমানবিক সাজা নিষিদ্ধ। এই দুটি ধারার পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা আমরা আশা করছি রায়ের মাধ্যমে পাব।”

এই যুগান্তকারী রায়ের মাধ্যমে রাগরিক অধিকার রক্ষায় আরেকটু এগিয়ে গেল বাংলাদেশ । প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বের এই রুলের মাধ্যমে  নাগরিক রা ফিরে পেল তাদের সাংবিধানিক অধিকার ।

বিডি নিউজ নেট থেকে প্রকাশিত

সিদ্ধিরগঞ্জ ডট কম bdnewsnet.com এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

http://www.bdnewsnet.com/2016/05/High-court-rule-2016-ak-sinha-pollice.html

Categories
আইন শৃঙ্খলা

পুলিশের অভিযানে আইল পাড়া থেকে ২ টি পিস্তল , ২৭ রাউন্ড গুলি ও হেরোইন উদ্ধার

db-b20160403153351সিদ্ধিরগঞ্জের ক্রাইম জোন   আইল পাড়া থেকে পূর্বে গ্রেফতার এবং রিমান্ডে নেওয়া ইয়াবা ব্যাবসায়ি দেলোয়ার হোসেন দেলুর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দেলুর আস্তানা থেকে রোববার বিকেলে অস্ত্র গোলা বারুদ ও হেরোইন উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ।

ডিবির এসআই মাজহারুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ এস আই ইব্রহিমসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে রোববার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জ আইলপাড়া এলাকা খাদেজার ভাড়াবাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুটি পিস্তল, ২৭ রাউন্ড গুলি, ১১টি ককটেল, ৩.৩০ গ্রাম গান পাউডার ও ৬০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

দেলোয়ার ওরফে মাস্টার দেলুকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছেতবে এসময় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি ডিবি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এক ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

Categories
আইন শৃঙ্খলা

অটো – সি এন জি চোরদের – আস্তানায় র‍্যাব ১১ এর অভিযান

RaB-big20160402155541

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন র‍্যাব এর গৌরব উজ্জ্বল অতীতের ধারাবাহিকতায় এক নতুন  সফলতা – র‍্যাবের আভিযানিক দল এএসপি শাহ মোঃ মশিউর রহমান, পিপিএম এর নেতৃত্বে এক গ্যারেজের ভিতরে অভিযান পরিচালনা করে ২টি সিএনজি চালিত থ্রী হুইলার এবং চোরাইকৃত সিএনজি চালিত থ্রী হুইলার বিক্রির কাজে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল সেটসহ আসামী রাকিব হাসান ওরফে রয়েল (৩৩) ও মোঃ কায়েসকে (৩০) গ্রেফতার করে।

BD-news-12l

উদ্ধারকৃত সিএনজি চালিত থ্রী হুইলার দুইটির আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ টাকা।

র‍্যাব -১১ তাদের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নারায়ণগঞ্জ জেলায় বেশ কিছু দিন যাবৎ সিএনজি চালিত থ্রী হুইলার চোরাই চক্রের সদস্যরা সক্রিয় হয়ে উঠে। সিএনজি চালিত থ্রী হুইলার চোরাই চক্রের সদস্যরা শহরের বিভিন্ন স্থান হতে সিএনজি চালিত থ্রী হুইলার চুরি করে সিএনজি চালিত থ্রী হুইলার এর মালিক হতে মোটা অংকের টাকা দাবি অথবা অন্যত্র বিক্রি করে আসছিল।

বিভিন্ন সময়ে সিএনজি চালিত থ্রী হুইলার চোরাই চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে  র‍্যাব  কাছে অভিযোগ আসলেও সিএনজি চালিত থ্রী হুইলার চোরাই চক্রের সদস্যরা ধরা চোয়াড়  বাইরে থেকে যায়। কিন্তু  র‍্যাবের  গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ২ এপ্রিল শনিবার দুপুরে একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন গোগনগর পূর্ব মসিনাবন্দ গ্রামস্থ রাস্তার পূর্ব পার্শ্বে রাকিব হাসান ওরফে রয়েল এর ভাড়া করা টিনসেড গাড়ীর গ্যারেজের ভিতর চোরাই করা সিএনজি চলিত থ্রী হুইলার মজুদ আছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে  এই অভিযান পরিচালনা করা হয় ।

Categories
আইন শৃঙ্খলা

সোনারগাঁয়ে মাদক বিরোধী অভিযান আটক-১ ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ১ বছরের সাজা প্রদাণ

azab-620x330

মোঃ কবির হোসেন snbarta24.com :  সোনারগাঁয়ে আজ সকাল ৮.০৫ ঘটিকার সময় সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আবু নাসের ভূঞার নেতৃত্বে সোনারগাঁ থানার এএসআই আবুল কালাম আজাদ, এবং এএসআই ইব্রাহিম আকন্দ, সংগীয় ফোর্স নিয়ে সোনারগাঁ থানাধীন অনন্ত মুছা গ্রামে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক সম্রাট বাঁসি রাসেল(২৫) কে গ্রেফতার করেন। পরবর্তীতে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আবু নাসের ভূঞা ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ০১(এক) বছরের সাজা প্রদান করেন।

Categories
আইন শৃঙ্খলা

সচেতন সমাজ বদলে দেবে সিদ্ধিরগঞ্জ ।

Siddhirganj

 

আইন নিজের হাতে তুলে নয় । সকল  অসামাজিক কার্যকলাপ ও ইভ টিজিং এর মত ঘ্রিনিত  কাজে সর্বপ্রথম বাধা দেওয়া এবং পরবর্তীতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ এবং র‍্যাব ১১  নিতিবান সদস্যদের সাহাজ্যে যে কোন সমস্যা সমাধান করা সম্ভব ।

এভাবেই ধিরে ধিরে সিদ্ধিরগঞ্জের সকল এলাকার রাস্তা ঘাটের ছেঁচড়া রংবাজদের( ৯৯% ক্ষেত্রে স্থানীয়  নয় )   – গজারি চালান দেবার মাধ্যমে এলাকার আইন শৃঙ্খলা বজায় থাকবে বলে মনে করে সিদ্ধিরগঞ্জ ইয়ুথ ক্লাবের সদস্যরা ।

র‍্যাব ১১ কন্ট্রোল   সকল প্রকার অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ  নেবেন বলে জানিয়েছেন ।  এতে স্থানীয় তরুন সমাজকেই অগ্রণী ভমিকা পালন করতে হবে ।

মাদক ও ইভ টিজিং এর বিরুদ্ধে  বাংলাদেশ আওয়ামি সরকার নো টলারেন্স নীতি গ্রহন করেছে ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  এক বাণীতে মাদক সমস্যা সমাধানে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠন, শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, পিতা-মাতা, অভিভাবকসহ সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মাদকের অবাধ বিস্তার রোধে মাদকবিরোধী আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক নিরোধ-শিক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি এবং ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা একান্ত প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বর্তমানে একটি বৈশ্বিক সমস্যা .

মাদকের চোরাচালান ও অপব্যবহারের ফলে জনস্বাস্থ্য, আইন-শৃঙ্খলা ও দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়। তিনি বলেন, তার সরকার মাদকের করাল গ্রাস থেকে দেশও জাতিকে রক্ষা করতে এ সংক্রান্ত আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করেছে। মাদকবিরোধী প্রচার-প্রচারণাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।

মরন নেশা ইয়াবার হাত থেকে এই তরুন সমাজকে রক্ষা করতে হলে সবার আগে তরুন দের বোঝাতে হবে এবং এলাকার সকল মাদকবিক্রয় কেন্দ্র থেকে ইয়াবার বিক্রয় বন্ধ করতে হবে । তা না হলে সহজ লভ্য এই নেশা দ্রব্য হয়ত গ্রাস কবে  আমার আপনার ভাই বোনদের কিংবা সন্তানদের  ।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে আছে ।কারন সাস্থ গত দিক দিয়ে হেরইন থেকেও অনেক বেশি ক্ষতিকারক এই ইয়াবা ।

সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার সকল এলাকার স্থানীয় জনগোষ্ঠী এক হলেই এই ইয়াবার প্রভাব থেকে স্কুল কলেজগামী ছেলেপেলেদের রক্ষা করা  সম্ভব হবে ।  একটি জিনিস মনে রাখবেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে কোন যুদ্ধে সবসময় আপনি সচেতন নাগরিক সমাজ ও সরকারের সাহাজ্য পাবেন ।

Categories
আইন শৃঙ্খলা

নারায়ণগঞ্জ এর পুলিশ এ এস পি -ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বদলি

asp-pollice-bangladesh

 

নীতিবান ও দক্ষ এ পুলিশ কর্মকর্তাকে  ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন সিদ্ধিরগঞ্জে সংঘটিত  ৭ খুন মামলার মতো লৌমহর্ষক ঘটনার পর পরই জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে তৎসময়কার নরসিংদী জেলা পুলিশ থেকে ২০১৪ সালের মে মাসে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণের পর নারায়ণগঞ্জের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। কর্মনিষ্ঠা,সততা এবং আদর্শের কারণে সম্প্রতি বিভাগীয়ভাবে তার মর্যাদাকে মূল্যায়িত করে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে তাকে পদোন্নতি দেয়া হয় ।

বুধবার(২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় নারায়ণগঞ্জ এর পুলিশ এ এস পি -ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বদলি  হয়েছেন । অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিনকে সদর দপ্তরে (হেডকোয়ার্টার) বদলি কর হয়েছে।

পুলিশে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনারসহ ৪৮ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে বদলি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৬ জন উপমহাপরিদর্শকও রয়েছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বদলির আদেশসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

সূত্র জানায়, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রদবদলের একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়। যাচাই-বাছাই শেষে এ-সংক্রান্ত ফাইলটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দেওয়ার পরই রদবদলের প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সিএমপির কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডলকে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. আফতাব উদ্দিন আহমেদকে এসবির উপমহাপরিদর্শক, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ইকবাল বাহারকে সিএমপির কমিশনার, পিবিআইয়ের ডিআইজি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমানকে পুলিশ সদর দপ্তরে, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ইব্রাহিম ফাতেমীকে পুলিশ স্টাফ কলেজে বদলি করা হয় ।

একজন নিষ্ঠাবান এবং সৎ পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে খন্দকার মহিদ উদ্দিন একজন সুপরিচিত নাম । তার মত দক্ষ ও নিতিবান পুলিশ সদস্যরাই পাড়ে আমাদের  সমাজকে বদলে দিতে । বদলির অনুভহুতির কথা জানতে চাইলে    ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন জানান  ” তিনি যেখানেই যান সেখানেই যেন নিজের নীতি এবং সততার মাধ্যমে সমাজের সেবা করতে পাড়েন তার চেষ্টাই করবেন । “

তবে নারায়ণগঞ্জ জেলা নতুন পুলিশ সুপার দায়িত্ব গ্রহণ করার আগ পর্যন্ত ড. খন্দকার মহিদ চলতি দায়িত্বে বহাল থাকবেন বলে জানান, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া।

 

 

 

Categories
আইন শৃঙ্খলা

আইলপাড়া-পাঠানটুলী এলাকায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা –

yaba-siddhirganj

আইলপাড়া-পাঠানটুলী এলাকায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা। সহজলভ্যে এই ইয়াবা তরুণ ও কিশোরদের করছে বিপদগামী। এলাকায় মাদক ব্যবসা প্রতিরোধে সভা সমাবেশ করেও কোন লাভ হচ্ছে না। । মাদক ব্যবসায়ীরা এতই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, তারা কাউকে মানছে না। । এলাকার অভিভাবক মহল এ নিয়ে রয়েছে চিন্তিত ও শঙ্কিত।
এলাকাবাসী সূত্রে প্রকাশ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সিটি কর্পোরেশনের ৮নং ওয়ার্ডের আইলপাড়া পাঠানটুলী এলাকা বর্তমানে ক্রাইম জোন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। শুধু তাই নয় পর পর গত দুই বার জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উক্ত এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে এলাকাকে মাদকমুক্ত করার কথা উঠেছে। কিন্তু অদ্যাবধি প্রশাসনের তেমন কোন অভিযান লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বিধায় এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।একাত্তর লাইভ ডট কমের সিদ্ধিরগঞ্জ সংবাদদাতার মাধ্যমে   জানা যায় পুরাতন আইলপাড়ার  কিছু চিহ্নিত  কয়েকজন ( নাম উল্লেখ করা হোল না )  ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ী ভোর সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বীরদর্পে তাদের মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

উক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের নামে বিভিন্ন থানা ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে মাদক মামলা সহ বিষ্ফোরক ও হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন মামলা এবং অভিযোগ রয়েছে। গত ২২ মার্চ মাদক  বিক্রেতা  দেলোয়ার হোসেন দেলুকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ এলাকাবাসীর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে ৬টি মামলায় আটক দেখায়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে গতকাল বিজ্ঞ আদালতে আসামী দেলুকে হাজির করলে বিজ্ঞ আদালত ৫দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। ইতিমধ্যে দেলু এলাকার বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর নাম প্রকাশ করেছে বলে জানা যায়। উক্ত মাদক স¤্রাট দেলুর রয়েছে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। সেই সাথে দেলুর বেশ কয়েকটি অবৈধ অস্ত্র থাকায় এলাকাবাসী সব সময় শঙ্কিত থাকতো। এলাকাবাসী দেলুর অবৈধ অস্ত্র ও দেলুর শেল্টার দাতাদের গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছে। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নিলে এবং জেলা প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা থাকলে আইলপাড়া পাঠানটুলী এলাকা মাদকমুক্ত হবে বলে এলাকাবাসী বিশ্বাস করে।